সুগার লেভেল কি বেড়েছে? জলের সঙ্গে অ্যালোভেরা জেল মিশিয়ে পান করুন, উপকার পাবেন…


হাইলাইটস

  • ডায়াবিটিস ইদানীং খুবই সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ডায়াবিটিস সাধারণত দুই ধরনের।
  • টাইপ ১ ডায়াবিটিস ও টাইপ ২ ডায়াবিটিস।
  • টাইপ ১ ডায়াবিটিসের ক্ষেত্রে আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে ইনসুলিন উৎপন্ন হয় না।

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক:ডায়াবিটিস ইদানীং খুবই সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ডায়াবিটিস সাধারণত দুই ধরনের। টাইপ ১ ডায়াবিটিস ও টাইপ ২ ডায়াবিটিস। টাইপ ১ ডায়াবিটিসের ক্ষেত্রে আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে ইনসুলিন উৎপন্ন হয় না। অন্যদিকে, টাইপ ২ ডায়াবিটিসের ক্ষেত্রে আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে পর্যাপ্ত ইনসুলিন উৎপন্ন হয় না অথবা উৎপন্ন হলেও সঠিকভাবে কাজ করে না। কিন্তু ডায়াবিটিসের লক্ষণ বুঝতে পারলে ঘরোয়া উপায়ে এর প্রতিকার সম্ভব। ডায়াবিটিসের ক্ষেত্রে সবচেয়ে দুর্ভাগ্যজনক বিষয়টি হল, ওষুধ, শরীরচর্চা এবং খাওয়া-দাওয়া নিয়ম মেনে করলে ডায়াবিটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে বটে, কিন্তু তা কোনও ভাবেই পুরোপুরি নিরাময় করা সম্ভব নয়। ডায়াবিটিস এমন একটি রোগ, যা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মানুষের অসুস্থতা বাড়িয়ে তোলে।

ডায়াবিটিস পুরোপুরি নিরাময় করা সম্ভব নয়। তবে রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে স্বাভাবিক জীবনযাপন করা যায়। কিছু প্রাকৃতিক উপাদানের মাধ্যমে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। তবে এটা বলার অপেক্ষা রাখে না যে আপনাকে সঠিকভাবে রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। তবে ডায়াবেটিস রোগীদের কাছে অ্যালোভেরা জুস হল অমৃতের সমান। অ্যালোভেরা জুস বা জেল প্রাকৃতিক ভাবে রক্তে চিনির পরিমাণ কম করে। নিয়মিত অ্যালোভেরা জুস খেলে কোনও ওষুধ বা অন্য জুস ছাড়াই ফাস্টিং-এ সুগার কাউন্ট অনেক কম আসে। এছাড়া অ্যালোভেরা বাড়তি মেদ কম করতে এবং ওজন কমাতেও সাহায্য করে।

শরীরকে রোগমুক্ত রাখতে হলে মাথায় রাখুন এই পাঁচ গোপন চাবিকাঠি!

কেমন করে খাবেন অ্যালোভেরা জেল?

অ্যালোভেরা জেলে ফাইটোস্ট্যারলস নামক শক্তিশালী উপাদান থাকে যা ডায়াবিটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা গেছে যে, ফাইটোস্ট্যারলসের অ্যান্টিহাইপার গ্লাইসেমিক প্রভাব আছে যা টাইপ ২ ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের জন্য উপকারী। হলুদ, তেজপাতা ও অ্যালোভেরা জেল জলের সঙ্গে মিশিয়ে দিনে দুবার পান করুন। তবে নিজে থেকে অ্যালোভেরা জুস বা জেল সেবন না করে এই বিষয়ে আগে একবার চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে নেওয়া অবশ্যই দরকার। তিনি যেমন অনুপাত বলে দেবেন, সে রকমটাই মেনে চলা কাম্য।

স্নানের সময় Loofah-র ব্যবহার কি আদৌ করা উচিত? কী বলছে গবেষণা জানুন…
প্রাকৃতিক গুণসম্পন্ন ভেষজ উদ্ভিদ অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারীর গুনের কোনো সীমা পরিসীমা নেই। রাস্তাঘাটে কিংবা বাজারে খুবই সহজলভ্য এটি। রস হিসেবে খাওয়া যায় আবার ত্বকের প্রদাহে প্রতিষেধক হিসেবেও লাগানো যায়। এতে রয়েছে ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, জিংক, আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, জিঙ্ক, ফলিক অ্যাসিড, অ্যামিনো অ্যাসিড ও ভিটামিন-এ, বি৬ ও বি২ ইত্যাদি, যা স্বাস্থ্যরক্ষার বিভিন্ন কাজে লাগে।

এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।