অনুরোধের ‘যন্ত্রণা’ আর পেতে চান না রজনীকান্ত


চেন্নাই: রাজনীতিতে না আসার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত একবার নেওয়া হয়ে গিয়েছে। সেখান থেকে ফিরে আসার কোনও প্রশ্নই নেই। তাই বারবার অনুরোধ তাঁর কাছে ‘যন্ত্রণার’ সামিল বলে সোমবার জানিয়ে দিলেন রজনীকান্ত। ক্ষমা চেয়েও ভক্তদের একাংশকে কিঞ্চিৎ ভর্ৎসনাই করেছেন তিনি। আবেদন করেছেন, তাঁর উপরে যেন ক্রমাগত চাপ তৈরি করা না হয়।

তিনি রাজনীতিতে আসবেন কি না, তা নিয়ে আগ্রহ ছিল দীর্ঘদিন ধরে। গত বছরখানেক পালে জোরালো হাওয়া লাগে। কারণ রজনীকান্ত নিজে রাজনীতিতে প্রবেশ করা নিয়ে যথেষ্ট ইতিবাচক ভাবে চিন্তাভাবনা করছিলেন। সেইমতো কাজকর্মও এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। অতএব ভক্তকুলের মধ্যেও বাড়ছিল আবেগ এবং উন্মাদনা। কিন্তু গত ডিসেম্বরে সব কিছুতে আচমকা জল ঢেলে দেন ৭০ বছর বয়সি এই সুপারস্টার। জানিয়ে দেন, রাজনীতির ময়দানে পা তিনি রাখছেন না। তার পর থেকেই ক্রমাগত তাঁর কাছে সিদ্ধান্ত বদলের অনুরোধ আসতে থাকে। ভক্তদের একাংশ তাঁর বাড়ির সামনে পর্যন্ত গিয়ে কাতর অনুরোধ জানাতে থাকেন। মিছিল বেরোয় চেন্নাই-সহ তামিলনাড়ুর বিভিন্ন জায়গায়।

এই পরিস্থিতিতে সোমবার সোশ্যাল মিডিয়ায় তিন পাতার একটি বিবৃতি দিয়েছেন ‘থলাইভা’। লিখেছেন, ‘রাজনীতিতে প্রবেশের অক্ষমতা নিয়ে আমি সবিস্তারে জানিয়েছি। জানিয়েছি আমার সিদ্ধান্তও। এই ধরনের মিছিল-মিটিংয়ের আয়োজন করে, আমাকে রাজনীতিতে আসার আবেদন জানিয়ে দয়া করে বারবার আর আমাকে যন্ত্রণা দেবেন না।’ তিনি রাজনীতিতে আসবেন, এমন সম্ভাবনা তৈরি হওয়া ইস্তক কাজ করা শুরু করেছিল ‘রজনী মাক্কাল মন্দ্রম’। কথা ছিল, এই গোষ্ঠীই রজনীর দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে। রজনী তাঁর বিবৃতিতে এই গোষ্ঠীরই প্রাক্তন কয়েকজন সদস্যের প্রসঙ্গ তুলে ভর্ৎসনার সুরে বলেছেন, ‘নেতৃত্বের নির্দেশ উপেক্ষা করে আমার কয়েকজন ফ্যান এবং রজনী মাক্কাল মন্দ্রমের কিছু বহিষ্কৃত সদস্য এই সব আয়োজন করছেন।’ তাঁর উপলব্ধি, ‘আমার অসুস্থতা ছিল ঈশ্বরের বার্তা। আর এই কোভিড-কালে আমার প্রচার সংক্রমণের ঝুঁকিও বাড়াবে।’